Terms & Conditions
1. Agents terms and condition
কোম্পানির এজেন্ট হয়ে যারা ব্যবসা পরিচালনা করবে তাদের ক্ষেত্রে কমিশন, অফার, ও বিশেষ অফার ইত্যাদি কোম্পানির সকল নিয়ম কানুন প্রযোজ্য হবে।
2. Dealers terms and condition
কোম্পানির ডিলার নিয়োগের পদ্ধতি ঃ
১। প্রথমেই কোম্পানির ডিলার নেওয়ার আগ্রহী প্রার্থীকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষর বরাবর আবেদন করতে হবে।
২। কোন এরিয়ার জন্য সে ডিলারশিপ নিতে ইচ্ছুক ঐ এরিয়ার কথা স্পষ্টভাবে আবেদনে উল্লেখ করতে হবে।
৩। ডিলারশীপ নেওয়ার ইচ্ছুক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ কোম্পানির অফিসে আহ্বান করবে, তারপর উভয় পক্ষের মধ্যে সমস্ত বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করবে।
৪। উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা পর্যালোচনা করিয়া একমত হইলে সর্বসম্মতি ক্রমে ডিলারশিপ দেওয়া হইবে।
৫। সর্বশেষ উভয় পক্ষের মধ্যে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা হয়েছে উক্ত সকল বিষয়গুলো উল্লেখ করে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র তৈরি করা হবে।
৬। উক্ত দ্বীপাক্ষিক চুক্তি পত্রের মধ্যে উভয় পক্ষের সকল ধরনের ব্যবসায়িক নিয়ম কানুন উল্লেখ থাকিবে।
৭।যতদিন পর্যন্ত তদ্রুপ দ্বিপাক্ষিক চুক্তিপত্র বাতিল নামের পুনরায় বাতিল চুক্তিপত্র না হবে ততদিন পর্যন্ত এই দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক চুক্তিপত্রটির। কার্যকর বলব থাকিবে
3. Employees Terms and Conditions
কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরির রুলস এন্ড কন্ডিশন এর ধারা সমুহঃ
ধারাঃ ১. চাকুরীর ধরণ
ধারাঃ ২. দৈনিক কার্য/সময়কাল
ধারাঃ ৩. ফেরতযোগ্য জামানত
ধারাঃ ৪ . বেতন
ধারাঃ ৫. বোনাস
ধারাঃ ৬ . প্রফিডেন্ট ফান্ড
ধারাঃ ৭. গ্রাচুইটি/বেতন বৃদ্ধি
ধারাঃ ৮. ওভারটাইম
ধারাঃ ৯. ছুটি
ধারাঃ ১০. পদোন্নতি
ধারাঃ ১১. বদলি
ধারাঃ ১২. প্রয়োজনীয় সনদ পত্র
ধারা ঃ ১৩. অব্যাহতি
ধারাঃ ১৪. জরিমানা
ধারাঃ ১৫. বাৎসরিক মূল্যায়ন
ধারাঃ ১. চাকুরীর ধরণঃ
১.১ ফুলটাইম:
প্রতি দিন ৯ (নয়) ঘন্টা।
২.২ পার্টটাইম:
চুক্তি ভিত্তিক ।
২.৩ শিক্ষানবিশ:
চূড়ান্ত যোগদানের সময় থেকে আগামী ৩(তিন) মাস পর্যন্ত আপনার শিক্ষানবিশ কাল বিবেচিত হবে। শিক্ষানবিশ অবস্থায় বেসিক বেতন প্রদান করা হইবে। উক্ত শিক্ষানবিশ কালের মাধ্যমে আপনার ব্যবহার এবং কর্মদক্ষতা কোম্পানীর কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক মনে না হলে এবং শিক্ষানবিশ কালের পরও কর্মদক্ষতা সন্তোষজনক না হইলে,কোম্পানির আইন কানুন পরিপন্থী এবং বাংলাদেশের প্রচলিত আইন এর বিরুদ্ধে অবৈধ কোন কাজ করিলে যে কোন সময় বিনা নোটিশে কোম্পানীর কর্তৃপক্ষ আপনাকে চাকুরী হইতে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
২.৪ স্থায়ীকরণ:
শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনক হলে কোম্পানী কর্তৃপক্ষ আপনাকে স্থায়ীকরণ আদেশপত্রের মাধ্যমে আপনার চাকুরীকে স্থায়ী করা হবে।
ধারাঃ ২. দৈনিক কার্য সময়কালঃ
২.১ যোগদানের সময়:
সকল ১০.০০ ঘটিকা পযর্ন্ত। ( পরিবর্তনশীল)
২.২ বিরতির সময়:
দুপুর ১৩.০০ থেকে ১৩.৩০ ঘটিকা পযর্ন্ত । (পরিবর্তনশীল)
২.৩ কর্মস্থল ত্যাগ করার সময়:
বিকাল ১৮.০০ ঘটিকা পর্যন্ত।(পরিবর্তনশীল)
ধারাঃ ৩. ফেরতযোগ্য জামানতঃ
৩.১ ভেলোয়েবল ডকুমেন্ট:
আলোচনা সাপেক্ষে। (প্রমাণপত্র প্রযোজ্য হইবে)।
২.২ নগদ অর্থ:
আলোচনা সাপেক্ষে। (মানি রসিদ প্রযোজ্য হইবে)।
ধারাঃ ৪. বেতনঃ
৪.১ বেসিক:
আলোচনা সাপেক্ষে।
৪.২ বাড়ি ভাড়া:
বেসিক বেতনের ৫০% বাড়ি ভাড়া প্রদান করা হবে।
৪.৩ মেডিকেল ভাতা:
বেসিক বেতনের ২০% মেডিকেল ভাতা প্রদান করা হবে।
৪.৪ টিএ ও ডিএ ভাতা:
বেসিক বেতনের ১৫% টিএ ও ডিএ ভাতা প্রদান করা হবে।
৪.৫ যাতায়াত ভাতা:
বেসিক বেতনের ১০% যাতায়াত প্রদান করা হবে।
৪.৬ যোগাযোগ ভাতা:
বেসিক বেতনের ৫% যোগাযোগ ভাতা প্রদান করা হবে।
৪.৭ বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট:
কোম্পানী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত।
৪.৮ বেতন প্রদান:
প্রত্যেক মাসের বেতন পরবর্তী মাসের ১-১০ তারিখের মধ্যে প্রদান করা হইবে।
ধারাঃ ৫. বোনাসঃ
৫.১ মুসলিম:
প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীদেরকে বছরে দুইবার দুই ঈদে বেসিক বেতনের সমান বোনাস প্রদান করা হবে।
৫.২ অমুসলিম:
প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাদের ধর্মীয় উৎসবের সময় বছরে দুইবার বেসিক বেতনের সমান উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে।
ধারাঃ ৬. প্রভিডেন্ট ফান্ডঃ
৬.১ মাসিক ডিপোজিট:
মাসিক মোট বেতনের ১০% সমপরিমাণ ডিপোজিট কর্তন করা হবে। সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলোক।
৬.২ স্বেচ্ছায় ডিপোজিট:
প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারী ১০% এর বেশি যার যার ইচ্ছাধীন মাসিক বেতন হতে ডিপোজিট কর্তন করে জমা করতে পারবে।
৬.৩ ডিপোজিট উত্তোলন:
চাকুরী ছাড়ার সময় প্রভিডেন্ট ফান্ড উত্তোলন করবে। সকল কর্মকর্তা/ কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক। এছাড়াও প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারী বিশেষ প্রয়োজনে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ডিপোজিট উত্তোলন করতে পারবে তবে এটা নির্ভর করবে কোম্পানির কর্তৃপক্ষের ও কোম্পানিরআর্থিক সচ্ছলতার উপর।
ধারাঃ ৭. গ্রাচুইটি/বেতন বৃদ্ধিঃ
৭.১ স্বাভাবিক:
সর্বনিম্ন তিন বছর হওয়ার পর কর্মকর্তা/কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধি করা হবে। এরপর থেকে প্রতিবছর বেতন বৃদ্ধি করা হবে। যাহা কোম্পানির অর্থনৈতিক উন্নয়নশীল অবস্থার উপর নির্ভর করিবে।
৭.২ কর্মদক্ষতা:
কোম্পানী কর্তৃপক্ষ কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীর উপর তার কর্মদক্ষতায় সন্তোষজনক হইলে যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি করিবে।
ধারাঃ ৮. ওভারটাইমঃ
৮.১ ওভারটাইম:
কোম্পানির প্রয়োজনে সকল কর্মকর্তা/কর্মচারি কে বাধ্যতামুলোক অতিরিক্ত ডিউটি করতে হবে তার জন্য অতিরিক্ত বেতন প্রদান করা হবে।
ধারাঃ ৯. ছুটিঃ
৯.১ বাৎসরিক:
বছরে ২০ দিন ছুটি পাওয়া যাইবে। যদি কোন কর্মকর্তা /কর্মচারী তাদের প্রাপ্য ছুটি না কাটিইলে বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হইবে।
৯.২ সাপ্তাহিক:
প্রতি শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকিবে। সকলের জন্য প্রযোজ্য নহে।
৯.৩ ইমার্জেন্সী:
বছরে ৬ দিন জরুরি ছুটি পাওয়া যাইবে। ছুটি না কাটাইলে সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হইবে।
ধারাঃ ১০. পদোন্নতিঃ
১০.১ স্বাভাবিক:
প্রত্যেক ৩ বছর পর পর পদোন্নতি দেওয়া হইবে।
১০.২ কর্মদক্ষতা:
প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীদের কর্মদক্ষতার উপর ভিত্তি করে কোম্পানির মালিকপক্ষ সন্তোষজনক মনে হইলে যেকোনো সময় পদোন্নতি দেওয়া হইতে পারে।
ধারাঃ ১১. বদলীঃ
১১.১ স্বেচ্ছায়:
প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারী তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী বদলীর আবেদন করিতে পারিবেন,তবে তাহা মালিকপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।
১১.২ বাধ্যতামূলক:
কোম্পানির প্রয়োজন অনুযায়ী কোম্পানির কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যেকোনো কর্মকর্তা / কর্মচারী কে বাধ্যতামূলক বদলী প্রদান করিতে পারিবে।
ধারাঃ ১২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১২ .১ শিক্ষাগত যোগ্যতা:
প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীর তাহার নিজের সকল শিক্ষাগত সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হইবে। প্রয়োজনে মূল কপি যাচাইয়ের জন্য জমা দিতে হইবে।
১২.২ জাতীয় পরিচয়পত্র (নিজ):
নিজ এনআইডি (NID) রঙ্গিন ফটোকপি জমা দিতে হইবে।
১২.৩ জাতীয় পরিচয়পত্র (পিতা/মাতা):
পিতা ও মাতার এনআইডি (NID) রঙিন ফটোকপি জমা দিতে হইবে।
১২.৪ বিদ্যুৎ বিলের কাগজ:
নিজ বাড়ির, নিজের নামের অথবা তাহার পিতার নামের বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি জমা দিতে হইবে।
১২.৫ অভিজ্ঞতার সনদ:
সংশ্লিষ্ট পদের অভিজ্ঞতার সনদ জমা দিতে হইবে।
১২.৬ নাগরিকত্ব সনদ:
এনআইডি না থাকিলে চেয়ারম্যান/পৌরসভা কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদ জমা দিতে হইবে।
১২.৭ চারিত্রিক সনদ:
প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার দ্বারা সত্যায়িত চারিত্রিক সনদ জমা দিতে হইবে। (ঐচ্ছিক)
১২.৮ ছবি:
ল্যাব প্রিন্ট করা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ও ২ কপি স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হইবে।
১২.৯ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট :
পূর্বে যে কোম্পানি অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় ছিলেন উক্ত কোম্পানি অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল থেকে সকল অর্থনৈতিক দায়দানা এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যের অব্যাহতির ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হইবে।
১২.১০ অন্যান্য:
অন্য কোনো বিশেষ সনদ থাকিলে তাহা জমা দেওয়া যাইবে।
ধারাঃ ১৩.অব্যাহতিঃ
১৩.১ শোকজ :
কর্মরত অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী যেকোনো প্রকার অপরাধ করিলে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হইবে, নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হইলে তাকে চাকুরি হইতে সরাসরি বরখাস্ত করা হইবে।
১৩.২ চাকরিচ্যুতি/বরখাস্ত :
রাষ্ট্রীয় আইনের বিপরীতে কোনো প্রকার অনৈতিক ও অবৈধ কাজের সাথে জড়িয়ে পড়লে কিংবা কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারীর আচার-ব্যবহার এবং কর্মদক্ষতায় কোম্পানির কর্তৃপক্ষ অসন্তুষ্টি হইলে অথবা কোম্পানির প্রয়োজন অনুসারে প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারী কে কারণ দর্শানো নোটিশের মাধ্যমে যেকোনো সময় বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা সহ চাকুরী থেকে সরাসরি বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.৩ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ:
প্রত্যেক কর্মকর্তা কর্মচারী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে চাইলে এক (০১) মাসের সময় দিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিতে পারিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং সকল প্রকার হিসাব-নিকাশ এবং দায়,পাওনা -দেওনা কোম্পানির কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়ে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ নিকট হইতে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হইবে। অন্যথায় কোম্পানির কর্তৃপক্ষ উক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারিবে। এছাড়াও কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী তাৎক্ষণিক চাকুরি থেকে চলে যেতে চাইলে তার মোট বেতনের সমপরিমাণ দুই মাসের বেতন কোম্পানিকে প্রদান করে সে চাকুরি হইতে অব্যাহতি নিতে পারিবে।
১৩.৪ বিবাদ ও মতপার্থক্য :
কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী যদি কোম্পানির মালিকপক্ষের সাথে বিবাদ বা মতপার্থক্যে জড়িয়ে পড়ে, কোম্পানির মালিকপক্ষ উক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিযুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারী কে চাকুরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.৫ গোপনীয়তা:
যদি কোন কর্মকর্তা / কর্মচারী যদি কোম্পানীর গোপনীয় নথি বা কর্মপদ্ধতি অন্যথায় বিক্রয় বা প্রকাশ করিলে যাহা কোম্পানির জন্য হুমকি স্বরূপ সেইক্ষেত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কে কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে চাকুরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করিতে পারিবে ।
১৩.৬ আমানতদারিতা :
কোন কর্মকর্তা /কর্মচারী স্বেচ্ছায় তথ্য গোপন, আর্থিক লেনদেন অথবা কোম্পানির স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়লে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশ প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে এবং সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.৭ দায়িত্ব ও কর্তব্য:
কোম্পানির এইচ/আর ব্যবস্থাপক অথবা মালিকপক্ষ কর্তৃক প্রত্যেক কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে কোম্পানির প্রয়োজন অনুসারে যখন যাহাকে যে দায়িত্ব প্রদান করা হইবে উক্ত অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হইলে উক্ত কর্মকর্তা /কর্মচারীদেরকে কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারিবে ও চাকুরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.৮ আইন বহির্ভূত কার্যকালাপ :
চাকুরীরত অবস্থায় কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাথে জড়িয়ে পড়লে যেটা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারি নিরাপত্তা বাহিনী অভিযুক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীদেরকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের আওতায় নিলে, সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র অভিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীর উপরেই তার কর্মফল বর্তাবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীর অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মালিকপক্ষের উপর কার্যকারিত হবে না এবং তার জন্য কোন প্রকার দায় থাকিবে না । এই অবস্থায় কোম্পানির মালিকপক্ষ অভিযুক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীদের কে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীদেরকে সহযোগিতা করিবে এবং উক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীকে কোম্পানির মালিকপক্ষ সরাসরি চাকুরি থেকে বরখাস্ত করিতে পারিবে। এবং বাংলাদেশের সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর নিকট হস্তান্তর করিতে পারিবে।
১৩.৯ আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ:
কোন কর্মকর্তা / কর্মচারী কোম্পানির নিজস্ব আইন-কানুন পরিপন্থী যেকোন কাজ করলে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীদেরকে কোম্পানির মালিক পক্ষ যেকোনোসময় বিনা নোটিশে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে এবং সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.১০ অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য অবহেলা:
কোন কর্মকর্তা / কর্মচারী যদি কোম্পানি কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে তাহলে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীদেরকে কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে এবং সরাসরি চাকুরি হতে বরখাস্ত করিতে পারিবে ।
১৩.১১ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার যৌক্তিকআদেশ অমান্য করা :
কোম্পানির নিয়ম অনুসারে প্রত্যেকেরেই যার যার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীর যৌক্তিক আদেশ না মানার অভিযোগে যদি কোন কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারী অভিযুক্ত হয় সেক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণিত হইলে তাৎক্ষণিক সেই সকল অভিযুক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীদের কে কোম্পানির মালিকপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে পারিবে এবং সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.১২ বাধ্যতামূলক ছাটাইকরণ :
যদি কোম্পানি কোন কারণবশত অর্থনৈতিক সংকটে ও অস্বাভাবিক অবস্থায় থাকে যাহা সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদেকে প্রাপ্য অর্থ প্রদান করিতে ব্যর্থ হয় সে ক্ষেত্রে ছাঁটাইকৃত কোম্পানির অতিরিক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এক মাসের অগ্রিম বেতন দিয়ে চাকরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করিতে পারিবে।
১৩.১৩ কর্মস্থলে অনুপস্থিত:
যদি কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারী তার উপর অর্পিত কর্তব্য এবং নির্ধারিত কর্মস্থানে যথাসময়ে উপস্থিত না থাকে এবং কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মালিকপক্ষকে যথাসময়ে অনুপস্থিতির তথ্য প্রদান না করিলে উক্ত কর্মকর্তা / কর্মচারীদেরকে মালিকপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে এবং সরাসরি চাকরি থেকে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
ধারাঃ ১৪ জরিমানঃ
১৪.১ অনুপস্থিতি:
যদি কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারী বিনা নোটিশে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকে তাহলে তার একদিন অনুপস্থিতির জন্য দুই দিনের বেতন জরিমানা স্বরুপ কর্তন করা হইবে।
১৪.২ বিলম্ব :
যদি কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী নির্ধারিত সময় থেকে দেড়িতে কর্মস্থানে প্রবেশ করে এবং নির্ধারিত সময় হতে কর্মস্থান থেকে আগে ত্যাগ করে তাহলে প্রতি তিন দিনের জন্য একদিনের সমপরিমাণ বেতন জরিমানা স্বরুপ কর্তন করা হইবে।
১৪.৩ শৃঙ্খলা ও নিয়ম অমান্য:
যদি কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় কোন প্রকারের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তবে ঐ কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ এর মাধ্যমে জবাব চাওয়া হইবে জবাবে সন্তুষ্ট না হইলে অপরাধ সমতুল্য জরিমানা করে উক্ত জরিমান অর্থ ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাসিক বেতন থেকে কর্তন করা হইবে অথবা ঐ কর্মকর্তা কর্মচারীকে চাকরি হইতে বহিষ্কার করা হইবে।
ধারাঃ ১৫. বাৎসরিক মূল্যায়নঃ
১৫.১ মালিক পক্ষের মূল্যায়ন:
কোম্পানির মালিকপক্ষ প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীর আচার- ব্যবহার, পোশাক- পরিধান, আমল-আখলাক, দায়িত্ব-কর্তব্য, কর্মদক্ষতা ও আমানতদারিতা উপরে বাৎসরিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রদান করিবে যাহা তাহার পদোন্নতি কিংবা বেতন বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন হইবে উক্ত মূল্যায়ন পত্রটি প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীর ব্যক্তিগত নথির সাথে জমা থাকিবে ।
১৫.২ স্ব-স্ব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মূল্যায়ন :
কোম্পানির প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীদেরকে তাহার উচ্চপদস্থ স্ব-স্ব কর্মকর্তাগণ কর্তৃক প্রত্যেকের নিজস্ব আচার- ব্যবহার, পোশাক- পরিধান, আমল-আখলাক, দায়িত্ব-কর্তব্য, কর্মদক্ষতা ও আমানতদারিতা উপরে বাৎসরিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রদান করিবে যাহা তাহাদের পদোন্নতি কিংবা বেতন বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন হইবে উক্ত মূল্যায়ন পত্রটি প্রত্যেক কর্মকর্তা / কর্মচারীর ব্যক্তিগত নথির সাথে জমা থাকিবে ।
বিঃদ্রঃ-কোম্পানির সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন কোম্পানির নিজিস্ব পদ্বতিতে হবে।
Have questions about our terms?
If you have any concerns or queries regarding our Terms & Conditions, feel free to contact us. We are here to help you understand our policies clearly.
Contact Us